Tuesday, September 18, 2018

18>শ্রী শংকরাচার্য্য (আদি শংকরাচার্য্য )

18>শ্রী শংকরাচার্য্য (আদি শংকরাচার্য্য )
                <---------আদ্যনাথ-------->( © )

জন্ম---৭৮৮ খ্রিস্টাব্দ- কালাডি, চের রাজ্য,
                          (অধুনা কেরল, ভারত)

মৃত্যু---৮২০ খ্রিস্টাব্দ- ৩২ বৎসর
              কেদার নাথ,পাল সাম্রাজ্য।
             (অধুনা উত্তরাখন্ড, ভারত)

শ্রী শংকরাচার্য্য(আদি শংকরাচার্য্য )
এর জীবনের কিছু সামান্য অতি মূল্য বান  তথ্য যা সংগ্রহ করতে পেরেছি তারই সংক্ষিপ্ত কিছু লিপি বদ্ধ করার চেষ্টা করেছি।

   
   
জগদ্ গুরু আদি শঙ্করাচার্য 
 ||   ওঁ তত্ সত্ ব্রহ্মার্পণমাস্তু ||
ব্রহ্ম সত্য জগন্মিথ্যা, জীবন ব্রহ্মৈব ন অপরঃ।।
জগদ্ গুরু আদি শঙ্করাচার্য 
• জন্ম:- ৭৮৮ খ্রিস্টাব্দ
• স্থান :- কালাডি, চের রাজ্য ( অধুনা কেরল)
• পিতা :- শিবগুরু
• মাতা :- আর্যাম্বা / দেবী বিশিষ্টা ( মত্যানুসারে)
নিঃসন্তান দম্পতি ত্রিশূরের বৃশভচল শিবমন্দিরে পুত্র প্রাপ্তির নিমিত্তে কামনা করেন ।
আদ্রা নক্ষত্রের বিশেষ তিথিতে সন্তানের জন্ম হয়।
সেই সন্তানই শঙ্কর নামে পরিচিত হয়।
 •বয়স ১ বছর:- দেবশিশু শঙ্কর সংস্কৃত ভাষায় কথা বলতে, লিখতে ও পড়তে সক্ষম হন।

• বয়স ৩ বছর:- ঈশ্বরের ইচ্ছায় শৈশবেই পিতার ছায়া অচিরেই চলে যায় শিশু শঙ্করের উপর থেকে। তারপর
 মা তাঁর উপনয়ন করান। এই সময় থেকেই বেদান্তের আধারে কলা ও বিজ্ঞান বিষয়ক পড়াশোনা শুরু করেন।
• বয়স ৮ বছর:- চারটি বেদ সম্পূর্ণরূপে আত্মস্থ ও কন্ঠস্থ করেন।
সন্ন্যাস:- সাত বছর থেকে সন্ন্যাস গ্রহণের ইচ্ছা ছিল, কিন্তু মা তাঁর একমাত্র সন্তানকে অনুমতি দেননি। এর ঠিক এক বছর পর একদিন বালক শঙ্কর পূর্ণা নদীতে স্নান করার সময় একটি কুমির শঙ্করের পা কামড়ে ধরে। শঙ্করের মা ও সেই সময়ে পূর্ণার তীরে উপস্থিত ছিলেন। ব্যথা ও বেদনায় আর্তনাদ বালক মাকে বলেন, মা যদি আপনি আমাকে এইসময় সন্ন্যাস গ্রহণের অনুমতি দেন তাহলে কুমির টি আমার পা ছেড়ে চলে যাবে। ছেলের প্রাণ বাঁচাতে মা ছেলেকে সন্ন্যাস গ্রহণের অনুমতি দেন। তারপর থেকে কোনোদিন পূর্ণা নদীতে কোনো কুমিরকে দেখা যায় নি।
গুরুর সন্ধানে:-
নর্মদা নদীতীরে ওঙ্কারেশ্বর তিনি গৌড়পাদের শিষ্য গোবিন্দ ভগবদপাদের কাছে গেলে দেবকার্য যোজনাতে জন্ম শঙ্করের বুদ্ধিমত্তা ও ভগবদ প্রেম তাঁকে আকৃষ্ট 
করে তুলছিলো এবং শঙ্করকে শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করেন।
পরিব্রাজক শঙ্কর:- অদ্বৈত বেদান্ত প্রতিষ্ঠা করেন।

•।।বয়স ১৫ বছর:- কাশীতে শঙ্কর ।।•
কাশীতে সনন্দন নামের দক্ষিণ ভারতীয় যুবক প্রথম শঙ্করের শিষ্য হন। 
কাশীতে বিশ্বনাথ মন্দির দর্শন করতে যাওয়ার সময় 
এক চন্ডালের দেখা হয়। সেই চন্ডালের সঙ্গে চারটি 
কুকুর ছিল। শঙ্করের শিষ্যরা চন্ডালকে পথ ছেড়ে দাঁড়াতে বললে, চন্ডাল উত্তর দেয়,"আপনি কি চান,
আমি আমার আত্মাকে সরাই না আমার রক্ত মাংসের শরীর টাকে সরাই?" 
শঙ্কর বুঝতে পারেন এই চন্ডাল স্বয়ং শিব এবং তার চারটি কুকুর আসলে চার বেদ। শঙ্কর তাঁকে প্রণাম করে পাঁচটি শ্লোক -- 'মণীষা পঞ্চকম' বন্দনা করেন। 

বদ্রীনাথে শঙ্কর:----/
বিখ্যাত উপনিষদের ভাষ্য ও গীতার ভাষ্য রচনা করেন।এই সময়ে ভজগোবিন্দম্ স্তোত্র রচনা করেন।

 প্রয়াগে:------
গুরুর আদেশ অনুযায়ী, মীমাংসা দার্শনিক কুমারিল ভট্টের সাথে বিতর্ক করতে চান। কিন্তু সেই সময়ে কুমারিল ভট্ট নিজের অমূলক কাজের জন্য জ্বলন্ত চিতায় নিজেকে সমাহিত করছিলেন। 
সুতরাং কুমারিল ভট্ট তাঁর শ্রেষ্ঠ শিষ্য মন্দন মিশ্রকে বিতর্কে আহ্বান জানাতে বলেন এবং বলেন মন্দনের জয়-পরাজয় ওনার জয়-পরাজয় বলে গণ্য করা হবে।
মন্দন মিশ্রের সঙ্গে-- বিখ্যাত বিতর্ক মিমাংসা:-
মহাসমতিতে (বর্তমান বিহারের সহরসা জেলার মহিষী নামক স্থানে):-
মন্দন মিশ্র বিতর্কে - কর্মকাণ্ড ও শঙ্কর  বিতর্কে - জ্ঞান কান্ড পক্ষপাতিত্ব করেন। বিচারক রূপে উপস্থিত ছিলেন মন্দন স্ত্রী উভয়া ভারতী (যিনি স্বয়ং মা সরস্বতীর অবতার)। একটানা ১৫ দিন ধরে বিতর্ক চলার পর মন্দন মিশ্র পরাজিত হলে উভয়া ভারতী শঙ্করকে বিতর্কে আহ্বান জানান এবং বিবাহশাস্ত্র বিষয়ক প্রশ্ন উত্থাপিত করলে তরুণ সন্ন্যাসী শঙ্কর ১৫ দিন সময় নিয়ে শারীরিকভাষ্যর(পরকায়া প্রবেশ) মাধ্যমে এক মৃত রাজার দেহে নিজের আত্মাকে প্রবেশ করিয়ে উভয়া ভারতীর প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যান। তারপর নিজের শরীরে প্রবেশ করে উভয়া ভারতীকে বিতর্কে পরাজয় করলে মন্দন মিশ্র শঙ্করের শিষ্য হন।  
মহারাষ্ট্রে ও শ্রীশৈলমে:-
কপালিক তান্ত্রিক শঙ্করকে বলি করতে উদ্যত হলে, শঙ্কর শিষ্য পদ্মপাদ ( পূর্বাশ্রম - সনন্দন) নরসিংহদেবের প্রার্থনা করে গুরুর। প্রাণ রক্ষা করেন। নরসিংহদেবের সাক্ষাৎ দর্শনে লক্ষী-নরসিংহ স্তোত্র রচনা করেন।
গোকর্ণে:-বাক্ শক্তিহীন বালক কে আশীর্বাদ করে বাক্ প্রদান করেন। শঙ্কর তাঁর নাম দেন হস্তামলক। যিনি পরবর্তীকালে শঙ্করের শিষ্য হন।
কাশ্মীরে:-তৎকালীন সমস্ত পন্ডিতদের বিতর্কে পরাজিত করে বেদান্তের অদ্বৈতবাদকে প্রতিষ্ঠা করেন এবং সর্বসম্মতিতে সারদাপীঠাচার্য মনোনীত হন। 
শঙ্কর হয়ে উঠলেন আচার্য্য শঙ্কর রূপে।
এরপর নেপাল---থেকে দক্ষিণ ভারত তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং বিদর্ভ যান, এই যাত্রায় সঙ্গী ছিলেন মালয়লী রাজা সুধনভ।
পুনরায় গোকর্ণে আসলে শৈবপন্ডিত নীলাকান্তের  আহ্বানে বিতর্কে তাক পরাজিত করে অদ্বৈতবাদ স্থাপন করেন। এখান থেকে সৌরাষ্ট্র,দ্বারকা, উজ্জয়িনী,বাহলিকা হয়ে প্রাগজ্যোতিষপুর কামরূপে তান্ত্রিক নবগুপ্তের সম্মুখীন হন। সেখানেও যুক্তিও শাস্ত্রর মাধ্যমে অদ্বৈত বাদের মত স্থাপন করেন।
হিন্দুধর্মের ভিত্তি হিসেবে ভারতের চার প্রান্তে চারটি মঠ প্রতিষ্ঠা করেন:- এই মঠের উদ্দেশ্য হিন্দুধর্মে পঞ্চ দেবতা ও পঞ্চ যজ্ঞের পালন ও সমাজে বেদান্ত প্রতিষ্ঠা
উত্তরে- জ্যোতির্মঠ (বদ্রীকাশ্রমের কাছে)- অর্থববেদ- তোটকাচার্য

পূর্বে- গোবর্ধন মঠ(পুরী,উড়িষ্যা)- ঋগ্বেদ - আচার্য পদ্মপাদ

পশ্চিমে- দ্বারকা মঠ( দ্বারকা, গুজরাট)- সামবেদ- হস্তামলকাচার্য

দক্ষিণে- শৃঙ্গেরী মঠ(কর্ণাটক)- যজুর্বেদ- সুরেশ্বরাচার্য

এই চারটি মঠের প্রত্যেক প্রধান প্রথম শঙ্করাচার্যের নামানুসারে শঙ্করাচার্য ("পন্ডিত শঙ্কর") উপাধি গ্রহণ করেন।

 এই চারটি মঠের বা আম্নায় এর নীচে আছে দশনামী সম্প্রদায় যার প্রতিষ্ঠাতা স্বয়ং আচার্য শঙ্কর।

মহাসমাধি:- ৮২০ খ্রিস্টাব্দ মাত্র ৩২ বছর বয়সে। দৈবিক যোজনাতে সমাধিস্থ হন।
স্থান:- কেদারনাথ , মতান্তরে রামেশ্বরম।
।।নমঃ শ্রী আদি শঙ্করায় নমঃ।।

------------------------

আদি শংকরাচার্য্য ভারতীয় দর্শনের অদ্বৈত বেদান্তের রূপকার।
তাঁর শিক্ষার মূল কথা ছিল জীব ও ব্রহ্মের একত্ব ।
এই সত্যকে তিনিই প্রথম প্রচার করেন।
শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব এহেন সত্যকে
আরও সহজ করে দিয়ে বলেছেন---
" জীবই শিব "

স্বামী বিবেকানন্দের মতে, "বেদান্ত দর্শনের সর্ব শ্রেষ্ট আচার্য্য হলেন আদি শংকরাচার্য্য। দৃঢ় যুক্তির উপর ভিত্তি করে তিনি বেদের সত্য কে জ্ঞান যোগের ব্যাখ্যার মধ্যমে প্রতিষ্ঠা করেছেন। আচার্য্য শংকরাচার্য্য হিন্দু ধর্ম পুন প্রতিষ্ঠা কারেন ও সুসংহত রূপ দেন।
স্বামিজি একথাও বলেছেন... আদি শংকরাচার্য্য জীব ও ব্রহ্মের একত্বের সমস্ত সংশয় দূর করে প্রমান করে দেখিয়েছেন যে তাঁর মত অতিষয় নির্ভুল ও সত্য। বেদ ও উপনিষদের এই সত্য কে তিনি সারাজীবন প্রচার করেছন তাঁর লেখা ও জীবন যাপনের মধ্য দিয়ে।"

শ্রী শংকরাচার্য্যের  শিক্ষার মূল কথা ছিল জীব ও ব্রহ্মের একত্ব ।
তাঁর মতে ব্রহ্ম হলেন নির্গুণ।
এই মূল সত্য কে প্রচার করার জন্য তিনি সারা ভারতবর্ষ ভ্রমন করেন এবং সেই সময় কালের শ্রেষ্ঠ  দার্শনিকদের সঙ্গে আলোচনা ও বিতর্কে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজের দার্শনিক মতটি প্রচার ও দৃঢ় তার সহিত প্রতিষ্ঠিত করেন।
তিনি হিন্দু সন্ন্যাসীদের দশনামী সম্প্রদায় সৃষ্টি করেন, যা হিন্দুদের বিভিন্ন মতের মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করে।
                 ( সংগৃহিত )
 <----●অনাথ রায় চৌধুরী এবং●--->
     【--anrc-02/09/2018--】
     【-রাত্রি=:01:18:22 am=】
     【=কোলকাতা -56=】-----OK
=======================
=========================
   
   >|| আদি শঙ্কর ||
( 788--820 খ্রিষ্টাব্দ)
আদি শঙ্কর বা আদি শঙ্করাচার্য।
তদানীন্তন ভারতীয় দার্শনিক গনের
একজন শ্রেষ্ঠ ভারতীয় দার্শনিক।
বেদান্তের অদ্বৈত দর্শনের শাখাটিকে তিনি সুসংহত রূপ দেন এবং সুচারু রূপে প্রচার ও প্রতিষ্ঠা করেন।
তাঁর মতে ব্রহ্ম হলেন নির্গুণ।
রাজা রবি বর্মা  ছিলেন আদি শঙ্করের শিষ্য।
আদি শঙ্করের জন্ম 788 খ্রিস্টাব্দে
কালাডি গ্রামে, চের রাজ্যে ( বর্তমানের ভারতের কেরল রাজ্যে )
মৃত্যু 820 খ্রিস্টাব্দে (বয়স 32 )
কেদারনাথ, পাল সাম্রাজ্যে,
(বর্তমানে ভারতের উত্তরা খন্ডে)
রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব, স্বামী বিবেকানন্দ
উভয়েই তাঁর মত ও কর্মের প্রতি  প্রভাবান্বিত
ছিলেন।
আদি শঙ্করাচার্যের মূল উক্তি
"ব্রহ্ম সত্য জগন্মিথ্যা জীব ব্রহ্মৈব ন অপরঃ"
তিনি সমগ্র ভারতবর্ষ  পর্যটন করে অন্যান্য দার্শনিকদের সঙ্গে আলোচনা ও বিতর্কে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজের দার্শনিক মতটি প্রচার করেন।
তিনি চারটি মঠ প্রতিষ্ঠা করেন। এই মঠগুলি অদ্বৈত বেদান্ত দর্শনের ঐতিহাসিক বিকাশ, পুনর্জাগরণ ও প্রসারের জন্য বহুলাংশে দায়ী। শঙ্কর নিজে অদ্বৈত বেদান্ত দর্শনের প্রধান প্রবক্তা হিসেবে খ্যাত। এছাড়া তিনি হিন্দু সন্ন্যাসীদের দশনামী সম্প্রদায় ও হিন্দুদের পূজার সন্মত নামক পদ্ধতির প্রবর্তক।
সংস্কৃত ভাষায় লেখা আদি শঙ্করের রচনাবলির প্রধান লক্ষ্য ছিল অদ্বৈত তত্ত্বের প্রতিষ্ঠা। সেযুগে হিন্দু দর্শনের মীমাংসা শাখাটি অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতার উপর জোর দিত এবং সন্ন্যাসের আদর্শকে উপহাস করত।
আদি শঙ্কর উপনিষদ্‌ ও ব্রহ্মসূত্র অবলম্বনে সন্ন্যাসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উপনিষদ্‌, ব্রহ্মসূত্র ও ভগবদ্গীতার ভাষ্যও রচনা করেন। এই সব বইতে তিনি তার প্রধান প্রতিপক্ষ মীমাংসা শাখার পাশাপাশি হিন্দু দর্শনের সাংখ্য শাখা ও বৌদ্ধ দর্শনের মতও খণ্ডন করেন।
প্রচলিত মত অনুসারে, শঙ্কর বিজয়ম নামক বইগুলিতে শঙ্করের জীবনকথা লেখা আছে। এই বইগুলি আসলে মহাকাব্যের আকারে পদ্যে লেখা ইতিহাস-সম্মত জীবনী ও প্রচলিত কিংবদন্তির মিশ্রণ।
এই জাতীয় কাব্যধারায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বই হল মাধব শঙ্কর বিজয়ম ।
চিদবিলাস শঙ্কর বিজয়ম।
ও কেরলীয় শঙ্কর বিজয়ম।
শঙ্কর এক রক্ষণশীল হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার বাবার নাম ছিল শিবগুরু ও মায়ের নাম আর্যাম্বা। তারা অধুনা কেরল রাজ্যের অন্তর্গত কালাডি গ্রামে বাস  করতেন। তাঁরা বহুদিন
নিঃসন্তান ছিলেন। তাই তারা ত্রিশূরের বৃষভচল শিবমন্দিরে পুত্রকামনা করে পূজা দেন। এরপর আর্দ্রা নক্ষত্রের বিশেষ তিথিতে শঙ্করের জন্ম হয়।
শঙ্করের শিশু কালেই তার বাবা মারা যান।
শঙ্কর ছেলেবেলা থেকেই খুব বিদ্বান ছিলেন। মাত্র আট বছর বয়সে তিনি চারটি বেদ আয়ত্ত্ব করে নেন।
বাল্য কাল থেকেই শঙ্কর সন্ন্যাস গ্রহণের দিকে ঝুঁকেছিলেন। কিন্তু তার মা তাকে অনুমতি দিতে চাইছিলেন না। শেষে তিনি খুব আশ্চর্যজনকভাবে মায়ের অনুমতি পান।
কথিত আছে, একদিন তিনি পূর্ণা নদীতে স্নান করছিলেন। এমন সময় একটি কুমির তার পা কামড়ে ধরে। শঙ্করের মাও সেই সময় পূর্ণার তীরে উপস্থিত ছিলেন। তিনি মা-কে বলেন, মা যদি সন্ন্যাস গ্রহণের অনুমতি দেন, তাহলে কুমিরটি তার পা ছেড়ে দেবে। ছেলের প্রাণ বাঁচাতে মা তাকে সন্ন্যাস গ্রহণের অনুমতি দিলেন। তার পর থেকে কোনোদিন পূর্ণা নদীতে কোনো কুমিরকে দেখা যায়নি।
শঙ্কর গৃহ ত্যাগ করে গুরুর খোঁজে বেরিয়ে পড়েন।শেষে নর্মদানদীর তীরে ওঙ্কারেশ্বরে তিনি
গোবিন্দ ভগবদপাদের দেখা পান।
গোবিন্দজী শঙ্করের পরিচয় জেনে খুব খুশি হন এবং শঙ্করকে শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করেন।
গল্প কোথায় জানাজায়,
এর পরে শঙ্কর যখন কাশীতে আসেন। সেখানে সনন্দন নামে এক যুবকের সঙ্গে তার দেখা হয়ে যায়। এই যুবকটি দক্ষিণ ভারতের চোল রাজ্যের বাসিন্দা ছিল। সে-ই প্রথম শঙ্করের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। কথিত আছে, কাশীতে বিশ্বনাথ মন্দির দর্শন করতে যাওয়ার সময় এক চণ্ডালের সঙ্গে শঙ্করের দেখা হয়ে যায়। সেই চণ্ডালের সঙ্গে চারটি কুকুর ছিল। শঙ্করের শিষ্যরা চণ্ডালকে পথ ছেড়ে দাঁড়াতে বললে, চণ্ডাল উত্তর দেয়, "আপনি কী চান, আমি আমার আত্মকে সরাই না এই রক্তমাংসের শরীরটাকে সরাই?" শঙ্কর বুঝতে পারেন যে, এই চণ্ডাল স্বয়ং শিব এবং তার চারটি কুকুর আসলে চার বেদ। শঙ্কর তাকে প্রণাম করে পাঁচটি শ্লোকে বন্দনা করেন। এই পাঁচটি শ্লোক "মণীষা পঞ্চকম্‌" নামে পরিচিত।
বদ্রীনাথে বসে তিনি তার বিখ্যাত  টীকা ভাষ্য ও দর্শনমূলক প্রবন্ধ রচনা করেন।
একবার শঙ্কর বিশেষ কিছু কারনে দিনের
পর দিন অধিক বিতর্ক বিতর্কের করার পর মন্দন মিশ্র পরাজয় স্বীকার করেন,
যেখানে মন্দন মিশ্রের সহধর্মিণী উভয়া ভারতী বিচারক হিসেবে কাজ করেন। উভয়া ভারতী তখন আদি শঙ্করকে 'বিজয়' সম্পূর্ণ করার জন্য তার সঙ্গে বিতর্কে প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতা করার জন্য আহ্বান জানান। তিনি আদি শঙ্করকে পুরুষ ও মহিলার মধ্যকার যৌন সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন করেন - যে বিষয়ে শঙ্করাচার্যের কোন জ্ঞান ছিল না, কারণ তিনি ছিলেন কুমার এবং সন্ন্যাসী। শ্রী শঙ্করাচার্য 15 দিনের "বিরতি" চান। লোককাহিনী অনুসারে তিনি "পর-কায়া প্রবেশের" শিল্প ব্যবহার করেন।
(এই বিশেষ শিল্পে  আত্মা এক  দেহ থেকে বার হয়ে  অন্যের দেহে প্রবেশ করে ,)
এই বিশেষ প্রক্রিয়ায় শঙ্কর তার নিজের দেহ থেকে বের হন,এবং দেহটি  তিনি তার শিষ্যদের দেখাশোনা করার জন্য বলে তিনি নিজের আত্মকে দৈহিকভাবে একজন রাজার মৃতদেহে প্রবেশ করেন।
গল্পে আছে যে রাজার দুই স্ত্রীর নিকট তিনি "ভালবাসা শিল্পের" সকল জ্ঞান অর্জন করেন।
প্রেম, কাম, রতি ক্রিয়ার সকল ক্রিড়া কৌশল
ইত্যাদির প্রকৃত জ্ঞান দুচারু রূপে অর্জন করেন।
এদিকে রানীরা "পুনরুজ্জীবিত" রাজার সুতীক্ষ্ণ
মেধা ও প্রবল ভালবাসায় রোমাঞ্চিত হয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছালেন যে তিনি তাদের পুরনো স্বামী ছিলেন না।
তখন রাণীরা বিশেষ কিছু অনুমান করেন।
এবং বুঝতে পারলেন যে মৃত রাজার শরীরে অন্য কোন বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন সাধক প্রবেশ করে তাঁদের এমন সুখ ও আনন্দ দিতে সক্ষম হয়েছেন।
যখন রানী সকলে  তাদের বিশেষ বিশ্বস্ত কাজের লোকদের  বললেন আসে পাশের সকল স্থান খুঁজে দেখতে কোন যুবক সাধুর প্রাণহীন দেহ
এবং যদি পাওয়া যায় তবে  তা শীঘ্র দাহ করতে।
যাতে করে রাজার দেহে প্রবেশ কারী সাধু আর ফিরে যেতে না পারে।
তাহলেই রানীরা বহুদিন এমন আনন্দ উপভোগ করতে পারবে।
রানীর লোকেরা খুঁজে পেলেন শঙ্করের দেহ যে দেহ কজন সাধু পাহারা দিচ্ছিলেন।
রানীদের লোকেরা জোর করে শঙ্করাচার্যের প্রাণহীন দেহ চিতার উপর রেখে এতে আগুন দিতে যাওয়া মাত্রই শঙ্কর তার নিজের দেহে প্রবেশ করেন এবং পুনরায় জ্ঞান ফিরে পান।
এর পরে
পরিশেষে তিনি উভয়া ভারতীর সকল প্রশ্নের উত্তর দেন; এবং উভয়া ভারতী বিতর্কের পূর্ব-সম্মত নিয়মানুসারে মন্দন মিশ্রকে সুরেশ্বরাচার্য সন্ন্যাসী-নাম ধারণ করে সন্ন্যাস গ্রহণ করার অনুমতি দেন।
আদি শঙ্কর তারপর তার শিষ্যদের সাথে নিয়ে মহারাষ্ট্র ও শ্রীশৈলম ভ্রমণ করেন।
 মাধবীয়া শঙ্করাবিজয়াম অনুসারে একদা শঙ্কর কপালিকা দ্বারা বলি হতে যাচ্ছিলেন, পদ্মপদাচার্যের প্রার্থনার উত্তরস্বরুপ ভগবান নরসিংহ শঙ্করকে রক্ষা করেন। ফলস্বরুপ আদি শঙ্কর লক্ষ্মী-নরসিংহ স্তোত্র রচনা করেন।
==================
তারপর তিনি গোকর্ণ, হরি-শঙ্করের মন্দির এবং কোল্লুড়ে মুকাম্বিকা মন্দির ভ্রমণ করেন। কোল্লুড়ে তিনি এক বালককে শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করেন যে বালকটিকে তার পিতামাতা বাকশক্তিহীন বলে মনে করতেন। শঙ্কর তার নাম দেন হস্তামলকাচার্য ("বৈঁচি-জাতীয় ফল হাতে কেউ", অর্থাৎ যিনি নিজেকে পরিষ্কারভাবে উপলব্ধি করেছেন)। পরবর্তীতে তিনি সারদা পীঠ প্রতিষ্ঠা করতে শৃঙ্গেরী ভ্রমণ করেন এবং তোটকাচার্যকে তার শিষ্য বানান।
এরপর আদি শঙ্কর অদ্বৈত দর্শনের বিরোধিতা করা সকল দর্শন অস্বীকারের দ্বারা এর প্রচারের জন্য দিগ্বিজয় ভ্রমণ শুরু করেন। তিনি দক্ষিণ ভারত হতে কাশ্মীর অভিমুখে ভারতের সর্বত্র এবং নেপাল ভ্রমণ করেন এবং পথিমধ্যে সাধারণ মানুষের মাঝে দর্শন প্রচার করেন এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও অন্যান্য পন্ডিত ও সন্ন্যাসীদের সাথে দর্শন বিষয়ে তর্ক করেন।
মাধবীয়া শঙ্করাবিজয়ম অণুসারে সারদা পীঠে মন্দিরে চারটি প্রধান দিক থেকে পন্ডিতদের জন্য চারটি দরজা ছিল।
এক এক দিকের দরজা সেই দিকের প্রতিনিধিত্বকারী পন্ডিতদের নির্দেশ করে।
দক্ষিণ দরজা (দক্ষিণ ভারতের প্রতিনিধিত্বকারী) কখনই খোলা হয়নি যা নির্দেশ করত যে দক্ষিণ ভারত থেকে কোনো পন্ডিত সারদা পীঠে প্রবেশ করেনি।
আদি শঙ্কর সকল জ্ঞানের শাখা যেমন মীমাংসা, বেদান্ত এবং অন্যান্য হিন্দু দর্শনের শাখাসমূহে সকল পন্ডিতকে বিতর্কে পরাজিত করে আদি শঙ্কর দক্ষিণ দরজা খোলেন; তিনি সে মন্দিরের সর্বোৎকৃষ্ট জ্ঞানের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
তার জীবনের শেষদিকে আদি শঙ্কর হিমালয়ের কেদারনাথ-বদ্রীনাথে যান এবং বিদেহ মুক্তি ("মূর্তরুপ থেকে মুক্তি") লাভ করেন। কেদারনাথ মন্দিরের পিছনে আদি শঙ্করের প্রতি উৎসর্গীকৃত সমাধি মন্দির রয়েছে।
আদি শঙ্কর হিন্দু ধর্মের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করার জন্য চারটি মঠ প্রতিষ্ঠা করেন।
এগুলো দক্ষিণে কর্ণাটকের শৃঙ্গেরীতে, পশ্চিমে গুজরাটের দ্বারকায়, পূর্বে ওড়িশার পুরীতে এবং উত্তরে উত্তরখন্ডের জ্যোতির্মঠে (যশীমঠে)।
হিন্দু পরম্পরাগত মতবাদ বিবৃত করে যে তিনি এসব মঠের দায়িত্ব দেন তার চারজন শিষ্যকে যথাক্রমে: সুরেশ্বরাচার্য, হস্তামলকাচার্য, পদ্মপাদাচার্য এবং তোটকাচার্য। এ চারটি মঠের প্রত্যেক প্রধান প্রথম শঙ্করাচার্যের নামানুসারে শঙ্করাচার্য ("পন্ডিত শঙ্কর") উপাধি গ্রহণ করেন।
আদি শঙ্করাচার্য অদ্বৈতবাদী ধারণায় বিশ্বাসী ছিলেন । তিনি বলেন যে , ব্রহ্মই হল একমাত্র সত‍্য - এই জগৎ ব্রহ্মময় । তার মতে , " সঠিক বিদ‍্যা না থাকার ফলে মানুষ ব্রহ্মকে বুঝতে পারে না '' । আত্মাই হল ব্রহ্ম । এই ব্রহ্ম নির্গুণ এবং আনন্দময় । কিন্তু ব্রহ্ম আবার পারমার্থিক দৃষ্টিতে ব্রহ্ম হলেও ব‍্যবহারিক দৃষ্টিতে ঈশ্বর বলে প্রতিভাত হয় । অবিদ‍্যা ব্রহ্মের শক্তিবিশেষ যার ফলে জীব নিজেকে ব্রহ্মের থেকে ভিন্ন মনে করে । প্রকৃতপক্ষে , জীবাত্মা ও পরমাত্মা অভিন্ন ।
ভারতের  কেদারনাথ মন্দিরের পিছনে তাঁর সমাধি মন্দির আছে।
========== <--©-আদ্যনাথ-->=======

17> Lakshmibai THE Rani ofJhansi---–||


17>|-- Lakshmibai THE Rani of Jhansi---–||

( 19/11/1828 to 18/06/1858 )


Jhansi is in the north-central part of India

The state under Maratha Empire.

Lakshmibai the Rani ofJhansi

was an Indianqueen and warrior. And

was the queen of the princely state of Jhansi currently present in Jhansi district in Uttar Pradesh, India.


Birth name=Manikarnika Tambe or Manu.

Born=19 November 1828

Birthplace=Varanasi, India

Died=17/18 June 1858(aged 29)

Place of death=Kotah ki Serai, Gwalior, India

Father=Moropant Tambe

Mother=Bhagirathi Bai.

Manikarnika was born into a Maratha family at Varanasi.


Lakshmibai was one of the leading figures of the Indian Rebellion of 1857 and became a symbol of resistance to the British Raj East India Company in India.

She was married to Raja Gangadhar Rao Newalkar, the Maharaja of Jhansi, in 1842, and became the Rani of Jhansi.(She was married when she was 7 years old )

After her marriage Manikarnika became Lakshmibai, so named in honour of the goddess Lakshmi.

In 1851, Rani Lakshmibai had a son,

but the infant died at the age of about four months.

However the Raja could not recover from his bereavement on the lossফ of his child

And died on 21 November 1853. Then LKshmi Bai was eighteen .

On the day before the raja's death in November 1853, she adopted a son. His name was Anand, but was renamed Damodar, after their actual son. The raja wrote a letter to the British government of India requesting that his widow should be recognised as the ruler of Jhansi after his death during her lifetime. After the death of her husband the head of the British government of India, Lord Dalhousie, refused to allow her adopted son to become raja and Jhansi was then ruled by the British.

( The British East India Company, in its greed to annexe Indian Princely States, promulgated a rule known as the "Doctrine of Lapse".++++++++×********

After all the British in Jhansi had been killed by mutinous Indian troops in June 1857 the Rani took over the administration provisionally until the British returned. However she had to form an army to defeat the invading forces of Orchha and Datia and the British believed she had been responsible for the earlier British deaths.In March 1858, British forces led by Sir Hugh Rose came to Jhansi to take back the city from the Rani who now wanted independence. Jhansi was besieged and finally taken after strong resistance. Many of the people of the city were killed in the fighting and many more afterwards. The Rani escaped to Kalpi and jointly with the Maratha general Tantya Tope then seized Gwalior. In the battle of Kotah ki Serai in which their army was defeated Rani Lakshmibai was mortally wounded, 17th June 1858.

======

रानी लक्ष्मी बाई (जन्म: 19 नवम्बर 1835 – मृत्यु: 17 जून 1858)

लक्ष्मीबाई का बचपन का नाम मणिकर्णिका था परन्तु प्यार से सब उन्हें मनु कहकर पुकारते थे। मनु का जन्म वाराणसी जिले के भदैनी नामक नगर में 19 नवम्बर 1835 को हुआ था तथा उनकी माँ का नाम भागीरथीबाई तथा पिता का नाम मोरोपन्त तांबे था। मोरोपन्त एक मराठी थे और मराठा बाजीराव की सेवा में थे। माता भागीरथीबाई एक सुसंस्कृत, बुद्धिमान एवं धार्मिक महिला थीं। मनु ने बचपन में शास्त्रों की शिक्षा के साथ शस्त्रों की शिक्षा भी ली। सन् 1842 में उनका विवाह झाँसी के मराठा शासित राजा गंगाधर राव निम्बालकर के साथ हुआ और वे झाँसी की रानी बनीं। विवाह के बाद उनका नाम लक्ष्मीबाई रखा गया। 21 नवम्बर 1853 को राजा गंगाधर राव की मृत्यु हो गयी। झाँसी 1857 के संग्राम का एक प्रमुख केन्द्र बन गया जहाँ हिंसा भड़क उठी। रानी लक्ष्मीबाई ने झाँसी की सुरक्षा को सुदृढ़ करना शुरू कर दिया और एक स्वयंसेवक सेना का गठन प्रारम्भ किया। इस सेना में महिलाओं की भर्ती की गयी और उन्हें युद्ध का प्रशिक्षण दिया गया। साधारण जनता ने भी इस संग्राम में सहयोग दिया।

1857 के प्रथम भारतीय स्वतन्त्रता संग्राम की वीरांगना थीं जिन्होंने मात्र 23 वर्ष की आयु में ब्रिटिश साम्राज्य की सेना से संग्राम किया और रणक्षेत्र में वीरगति प्राप्त की किन्तु जीते जी अंग्रेजों को अपनी झाँसी पर कब्जा नहीं करने दिया।
=========================================

*महारानी लक्ष्मीबाई इतिहास*

पूरा नाम – राणी लक्ष्मीबाई गंगाधरराव.

जन्म – 19 नवम्बर, 1828.

जन्मस्थान – वाराणसी.

पिता – श्री. मोरोपन्त.

माता – भागीरथी

शिक्षा – मल्लविद्या, घुसडवारी और शत्रविद्याए सीखी.

विवाह – राजा गंगाधरराव के साथ.

लक्ष्मीबाई उर्फ़ झाँसी की रानी मराठा शासित राज्य झाँसी की रानी थी, जो उत्तर-मध्य भारत में स्थित है. रानी लक्ष्मीबाई 1857 के प्रथम भारतीय स्वतंत्रता संग्राम की वीरांगना थी जिन्होंने अल्पायु में ही ब्रिटिश साम्राज्य से संग्राम किया था.

लक्ष्मीबाई का जन्म वाराणसी जिले के भदैनी नमक नगर में 19 नवम्बर 1828 में हुआ था. उनके बचपन का नाम मणिकर्णिका था परन्तु प्यार से उसे मनु कहा जाता था. मनु की माँ का नाम भागीरथीबाई तथा पिता का नाम मोरोपंत तांबे था. मनु के माता-पिता महाराष्ट्र से झाँसी में आये थे. मनु जब सिर्फ चार वर्ष की थी तभी उनकी माँ की मृत्यु हो गयी थी. मोरोपंत एक मराठी थे और मराठा बाजीराव की सेवा में थे. मनु के माँ की मृत्यु के बाद घर में मनु की देखभाल के लिये कोई नही था इसलिये मनु के पिता उसे अपने साथ पेशवा के दरबार में ले गये, जहा चंचल एवं सुन्दर मनु ने सबका मन मोह लिया था. मनु ने बचपन में ही अपनी प्राथमिक शिक्षा घर से ही पूरी की थी और साथ ही मनु ने बचपन में शस्त्रों की शिक्षा भी ग्रहण की थी.

मई 1842 में 8 वर्ष की उम्र में उनका विवाह झाँसी के मराठा शासित राजा गंगाधर राव नेवालकर के साथ हुआ और वह झाँसी की रानी बनी. विवाह के बाद उनका नाम लक्ष्मीबाई रखा गया.1851 में रानी लक्ष्मीबाई ने एक पुत्र को जन्म दिया जिसका नाम दामोदर राव रखा गया था लेकिन चार महीने की आयु में ही उसकी मृत्यु हो गयी. बाद में महाराजा ने एक पुत्र को दत्तक ले लिया, जो गंगाधर राव के ही भाई का बेटा था, बाद में उस दत्तक लिए हुए बेटे का नाम बदलकर महाराजा की मृत्यु से पहले दामोदर राव रखा गया था. लेकीन ब्रिटिश राज को यह मंजूर नही था इसलिए उन्होंने दामोदर के खिलाफ मुकदमा दायर कर दिया, उस मुक़दमे में दोनों ही तरफ से बहोत बहस हुई लेकिन बाद में इसे ख़ारिज कर दिया गया. कंपनी शासन उनका राज्य हड़प लेना चाहता था. रानी लक्ष्मीबाई ने जितने दिन भी शासनसूत्र संभाला वो अत्याधिक सुझबुझ के साथ प्रजा के लिए कल्याण कार्य करती रही. इसलिए वो अपनी प्रजा की स्नेहभाजन बन गई थी. तत्पश्चात ब्रिटिश अधिकारियो ने राज्य का खजाना जब्त कर लिया और उनके पति के क़र्ज़ को रानी के सालाना खर्च में से काटने का फरमान जारी कर दिया गया. इसके परिणामस्वरूप रानी को झाँसी का किला छोड़ कर झाँसी के रानीमहल में जाना पड़ा. मार्च 1854 को रानी लक्ष्मीबाई को किले को छोड़ते समय 60000 रुपये और सालाना 5000 रुपये दिए जाने का आदेश दिया. लेकिन रानी लक्ष्मीबाई ने हिम्मत नही हरी और उन्होंने हर हाल में झाँसी राज्य की रक्षा करने का निश्चय किया. ब्रिटिश अधिकारी अधिकतर उन्हें झाँसी की रानी कहकर ही बुलाते थे.

घुड़सवारी करने में रानी लक्ष्मीबाई बचपन से ही निपुण थी. उनके पास बहोत से जाबाज़ घोड़े भी थे जिनमे उनके पसंदीदा सारंगी, पवन और बादल भी शामिल है. जिसमे परम्पराओ और इतिहास के अनुसार 1858 के समय किले से भागते समय बादल ने महत्वपूर्ण भूमिका निभाई थी. बाद में रानी महल, जिसमे रानी लक्ष्मीबाई रहती थी वह एक म्यूजियम में बदल गया था. जिसमे 9 से 12 वी शताब्दी की पुरानी पुरातात्विक चीजो का समावेश किया गया है.

उनकी जीवनी के अनुसार ऐसा दावा किया गया था की दामोदर राव उनकी सेना में ही एक था, और उसीने ग्वालियर का युद्ध लड़ा था, ग्वालियर के युद्ध में वह अपने सभी सैनिको के साथ वीरता से लड़ा था. जिसमेतात्या टोपे और रानी की संयुक्त सेनाओ ने ग्वालियर के विद्रोही सैनिको की मदद से ग्वालियर के एक किले पर कब्ज़ा कर लिया. 17 जुन 1858 को ग्वालियर के पास कोटा की सराय में ब्रिटिश सेना से लड़ते-लड़ते रानी लक्ष्मीबाई ने वीरगति प्राप्त की.

भारतीय वसुंधरा को गौरवान्वित करने वाली झाँसी की रानी एक आदर्श वीरांगना थी. सच्चा वीर कभी आपत्तियों से नही घबराता. उसका लक्ष्य हमेशा उदार और उच्च होता है. वह सदैव आत्मविश्वासी, स्वाभिमानी और धर्मनिष्ट होता है. और ऐसी ही वीरांगना झाँसी की रानी लक्ष्मीबाई थी.

=======================================

16>||SAVITRI BAI PHULE:----( 03/01/1831 to 10/03/1897 )


16>||SAVITRI BAI PHULE:----------------------

( 03/01/1831 to 10/03/1897 )
She was an Indian social reformat and poet.
She along with her husband JYOTIRAO PHULE, played and an important role inproving woman's right in India during British rule.
She founded the first Girl's School in PUNE run by native Indians ar BHIDE WADA in 1848.
She is the country's first woman Teacher.
At a time when grievances of woman could hardly be heard, she broke all the traditional stereotypes of the 19 th century to boost anew age of thinking in British colonised India.
Today is the Birthday of social reformer and educationist Savitribai Phule. She, along with her husband opened girls school in Pune in 1848. Very interestingly, she started the school with her close associate Fatema Seikh. The school was also a bold statement against communal and casteist thought process.

Phule started teaching when she was just 17! It was not easy that time. She also led a movement against the practise of shaving heads of the widows. Shaving of head was a traumatic experience for the widows, especially the ones who even did not cross their teens. Savitribai stood against this age old custom. She also opened a Center to take care of the rape pregnants who had nowhere to go. How unimaginable and inspiring, even for today! Her fight against cast discrimination and violence has inspired many generation after generations.

The Phule couple also organised marriages without a priest, without dowry, and at a minimum cost. What a revolutionary idea. How many of you reading this post will be ready to marry without a priest even today? She also practised what she preached. Her son's marriage was an inter-caste marriage. It seems unimaginable that she was in this land where even after 200 years people kill their own kids for inter-caste marriage!

Even her death is a saga of sacrifice. During a plague epidemic, she opened a shelter in which her adopted son was treating the patients while she took the role of the nurse. She caught plague while nursing plague victims and succumbed. What a humbling life, what an inspiring death!!!

What we learn from the lives of all these great people is that everything old is not gold. We need to test all the prevailing customs before accepting them. Fighting against so called tradition and culture is essential to take the society ahead.
||---ANRC-----03/01/2018:::--------------||
||============================||